বডি ক্যাম + ড্রোন নজরদারি + শীর্ষ আমলা বদল – বাংলার ভোটে ‘গেম চেঞ্জার’ সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের
১৫ মার্চ বিজ্ঞান ভবন থেকে নির্ঘণ্ট ঘোষণার সময়ই প্রথম বড় বার্তা দেয় কমিশন। প্রায় ২৫ বছর পর বাংলায় ভোটের দফা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে।
ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাতারাতি বদলি করা হয় রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ মুখগুলোকে।
- মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব বদল
- ডিজিপি ও কলকাতা পুলিশ কমিশনার অপসারিত
- ১২ জেলার পুলিশ সুপার পরিবর্তন
- একাধিক কমিশনারেট ও এডিজি স্তরের অফিসার সরানো
কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ—এই আধিকারিকরা ভোট প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও নির্বাচনী দায়িত্বে থাকতে পারবেন না।
আগের নির্বাচনে ওয়েবক্যাম রেকর্ডিংয়ে গুরুতর ফাঁক ধরা পড়ে। প্রায় ৩০% ক্যামেরায় সম্পূর্ণ ফুটেজ অনুপস্থিত ছিল বলে জানা যায়।
- নতুন সংস্থা দিয়ে ওয়েবক্যাম সরবরাহ
- বুথের ভিতর-বাইরে নজরদারি
- কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের বডি ক্যামেরা
শুধু ক্যামেরা নয়, স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে ড্রোন ব্যবহার করে নজরদারি চালানোর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
- ৩৬০° ওয়েব কাস্টিং বাধ্যতামূলক
- ড্রোন নজরদারি সংবেদনশীল এলাকায়
- রিয়েল-টাইম মনিটরিং
কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে—বুথে গন্ডগোল হলে দায় নিতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।
- প্রতি দফায় ~২৫০০ কোম্পানি বাহিনী
- প্রতিটি বিধানসভায় গড়ে ১৫-১৬ কোম্পানি
- অভিযোগ এলে সরাসরি তদন্ত
- ২৯৪ আসনে ২৯৪ পর্যবেক্ষক
- সন্দেহে পুনরায় ভোটগ্রহণ
- ৮৫+ ভোটারদের বাড়িতে ভোট
- BLO-দের মাধ্যমে ভোট স্লিপ বিতরণ
প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ + প্রযুক্তি + বাহিনীর কড়া নজরদারি—এই তিন স্তরের সমন্বয়ে এবারের নির্বাচনকে সম্পূর্ণ নতুন কাঠামোয় নিয়ে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন।
