‘প্রচুর যুদ্ধবিমান উড়ছে, জানলা কাঁপছে’— দুবাই থেকে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শেয়ার লারা দত্তের
মধ্য এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতির আঁচ এবার ছুঁয়ে গেল বলিউড অভিনেত্রী লারা দত্তের জীবনেও। মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে দুবাইয়ে থাকা অবস্থায় বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দে আতঙ্কিত মুহূর্তের কথা ইনস্টাগ্রামে জানান অভিনেত্রী।
এক নজরে
- কোথায়: দুবাই
- কারা সঙ্গে: মেয়ে সায়রা; স্বামী মহেশ ভূপতি কাজের জন্য বাইরে
- কী শুনেছেন: বিস্ফোরণ/ক্ষেপণাস্ত্রের শব্দ, আকাশে যুদ্ধবিমান
- কী বললেন: জানালা কাঁপছে, দরজা খটখট করছে— তবুও নিরাপদ বোধ
- আরও: UAE সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রশংসা
“উপরে প্রচুর যুদ্ধবিমান উড়ছে… শব্দ এতটাই জোরে যে জানালা কাঁপছে, ঘর আর দরজা খটখট করছে। এই শব্দ অস্থির করে তুলছে।”
মধ্য এশিয়ার সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষিতে গত কয়েকদিন ধরে দুবাইয়ের আকাশসীমায় ড্রোন হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনার খবর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে সামনে এসেছে শহরের একাধিক এলাকায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী ওঠার তথ্যও। এই পরিস্থিতির মধ্যেই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা জানান অভিনেত্রী লারা দত্ত।
লারা জানান, শুটিং চলাকালীন আচমকা বিস্ফোরণের মতো শব্দ শুনতে পান তিনি। পরে বোঝা যায়, আকাশে যুদ্ধবিমানের চলাচল রয়েছে এবং দূর থেকে একাধিক শব্দ ভেসে আসছে। কয়েকদিন ধরেই দুশ্চিন্তার মধ্যে সময় কাটলেও, তিনি দাবি করেছেন— তাঁদের থাকার জায়গাটি অত্যন্ত নিরাপদ।
ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ভিডিওতে অভিনেত্রী বলেন, শব্দের তীব্রতায় জানালা কেঁপে উঠছে, দরজাও খটখট করছে। তবে একইসঙ্গে তিনি জানান, “আমি কখনও উদ্বেগ বোধ করিনি, একবারের জন্যও না”— কারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় তিনি আস্থা পাচ্ছেন।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রশাসনের ভূয়সী প্রশংসা করে লারা বলেন, জাতীয়তা বা উৎস নির্বিশেষে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছে। তাঁর দাবি, পরিস্থিতি সত্ত্বেও শহরের নিত্যদিনের পরিষেবা পুরোপুরি থেমে যায়নি— মালি, খাবার সরবরাহকারী, গাড়িচালকেরা স্বাভাবিক কাজ করছেন।
লারা আরও জানান, তাঁরা ভারতে ফেরার বিমানের দিকেই তাকিয়ে আছেন, কিন্তু এখনই টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। তবুও তিনি ইতিবাচক থাকার বার্তা দিয়েছেন— “এই দুঃসময় কেটে যাবে”।
ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের সময়কার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে অভিনেত্রী বলেন, সেই সময় তিনি ভারতে ছিলেন এবং দেখেছিলেন কীভাবে দেশ নাগরিকদের সুরক্ষা দেয়। তাঁর মতে, দুবাইয়েও একইরকম নিরাপত্তার পরিবেশ বজায় রাখার চেষ্টা চলছে। দুবাইকে তিনি নিজের ‘দত্তক নেওয়া ঘর’ বলেই উল্লেখ করেন।
