West Bengal News Live Updates: নার্সিং স্টাফের রহস্য মৃত্যু। মলানদিঘির সনকা হাসপাতালের এক নার্সিং স্টাফের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় কাঁকসা শিল্পাঞ্চলে তুমুল চাঞ্চল্য। স্থানীয় সূত্রে খবর গোপালপুরের একটি বেসরকারি বি এড কলেজের সামনে ১২ তলা বহুতল আবাসনে গত এক বছর ধরে প্রায় ৪০ জন নার্সিং স্টাফ ভাড়া থাকতেন।
বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার সময়, নাইট শিফটে ডিউটির জন্য হাসপাতালের বাস আবাসনের সামনে আসে। কিন্তু মন্দিরা পালের কোনো খোঁজ না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর তার দেহ বহুতলের প্রাচীরের বাইরে। ঘটনাস্থলে রীতিমত হুলস্থূল পড়ে যায়। পরে কাঁকসা থানার পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
জানা গিয়েছে মৃত নার্সিং স্টাফের বাড়ি বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে। সূত্রের খবর, আবাসনের ছাদের দরজা প্রায়শই খোলা থাকত এবং নজরদারি যথাযথ ছিল না। তাই প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটলো এবং তার সহকর্মীরা কেন কিছু বুঝতে পারেননি। কোন পরিস্থিতিতে মরনঝাঁপ দিতে বাধ্য হলে মৃত নার্স তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঢিলেঢালা মনোভাবও নজরে এসেছে। আত্মহত্যা না খুন? মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
আজ ভারত বনধ। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা (SKM) এবং দেশের ১০টি প্রধান কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নের ডাকে ১২ ফেব্রুয়ারি ভারত বন্ধের ডাক দেওয়া হয়েছে। ভারত-মার্কিন অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তি, কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থনৈতিক নীতি এবং নতুন শ্রম আইনকে কেন্দ্র করে এই ধর্মঘটের আহ্বান জানানো হয়েছে। INTUC, AITUC, CITU এবং HMS-এর মতো জাতীয় ইউনিয়নগুলোও এই আন্দোলনকে সমর্থন করছে।
সংগঠনগুলোর দাবি, প্রায় ৩০ কোটি শ্রমিক এই ধর্মঘটে অংশগ্রহণ করতে পারেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির বিরুদ্ধেই আজকের এই ধর্মঘট। মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির বিরোধিতা, চারটি নতুন শ্রম কোড প্রত্যাহার, সরকারি উদ্যোগের বেসরকারীকরণের প্রতিবাদ, পুরাতন পেনশন প্রকল্প (OPS) ফিরিয়ে আনা, ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধি, নির্মাণ ও বিদ্যুৎ খাতে শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষা এবং কৃষি নীতিতে পরিবর্তন আনা। এছাড়াও বাস, অটো, ট্রাক ইউনিয়নগুলোও ধর্মঘটে সামিল হওয়ার কথা জানিয়েছে, যার ফলে পরিবহন পরিষেবা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা। এদিকে ট্রেড ইউনিয়নের ধর্মঘটের জেরে নন্দীগ্রাম ১ নং ব্লকে স্টেট ব্যাঙ্কের গেটে তালা ঝোলাতে গেলে বনধ সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের বচসা বাঁধে। পাশাপাশি মালদার ইংরেজবাজারেও পুলিশের সঙ্গে ধর্মঘট সমর্থকদের মধ্যে বচসা সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি হাওড়া, হুগলি, দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে বনধের মিশ্র প্রভাব পড়েছে।
